অর্গানিক ফুড এর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।আপনাদের বিশ্বাস ই আমাদের আশ্বাস। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী

সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারি । ১ বছরের রিটার্ন গ্যারান্টি। ইনশাল্লাহ ঠকবেন না।

ভেজাল দেইনা হারাম খাইনা। BSTI অনুমদিতভ ১০০% খাঁটি মধু সাথে ১০০% ময়লা মুক্ত চিয়াসিড।ORGINAL PINK SALT

আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।

অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন

Billing details
Your order
Product Subtotal
img

১ কেজি সরিষা মধু ও ১ কেজি চিয়াসিড COMBO OFFER- ২০০ গ্রাম হিমালয়ান পিংক সল্ট ফ্রি

×(1)

990 ৳
Subtotal 990 ৳
Shipping
Total 990 ৳
আমাদের চিয়া সিড কেন খাবেন

আমরা আপনাকে দিচ্ছি সম্পূর্ণ ময়লা-মুক্ত চিয়াসিড। আপনি দেখবেন বাজারের চিয়াসিডে প্রচন্ড ময়লা থাকে লম্বা লম্বা ধানের চিটার মত থাকে এবং তাছাড়াও ছোট ছোট বালুর কণার মত পাথর থাকে যা আপনার স্বাস্থ্যকে উপকার করা তো দূরের কথা বরং স্বাস্থ্য হুমকির মুখে ফেলবে। সুতরাং আপনাকে কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করে কিনতে হবে। আপনি নিঃসন্দেহে আমাদের থেকে নিতে পারেন আমাদেরকে চিয়াসিড আপনার কাছে কোনোভাবে খারাপ লাগলে আপনি তার ফেরত দিতে পারবেন

চিয়া সিড কি

চিয়া সিড বা চিয়া বীজ মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া হিসপানিকা (Salvia Hispanica) উদ্ভিদের বীজ। এই অতি উপকারি বীজটির আদি জন্মস্থান সেন্ট্রাল আমেরিকা এবং সেখানকার প্রাচীন আদিবাসি অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এই বীজ অন্তর্ভুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রাচীন মায়া এবং অ্যাজটেক জাতির মানুষ চিয়া সিডকে সোনার থেকেও মূল্যবাণ মনে করত। তারা বিশ্বাস করত এটা তাদের শক্তি ও সাহস জোগাবে। চিয়া সীড সব ধরণের আবহাওয়ায় হয় এবং এতে পোকামাকড়ের আক্রমণ তেমন হয় না। চিয়া বীজ সাদা ও কালো রং এর এবং তিলের মত ছোট সাইজের হয়। এখানে উল্লেখ্য যে চিয়া সীড এবং তোকমা নিয়ে একটি ভুল ধারণা আছে। অনেকেই তোকমাকে ভুল করে চিয়া সীড মনে করেন। চিয়া সীড তোকমার চেয়ে সাইজে ছোট, তবে এ দু’টোর পুষ্টিগুণ প্রায় একই। তোকমার ইংরেজি নাম ব্যাসিল সীড (Basil seed)।চিয়া একটি সুপার সীড যাতে আছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড; কোয়েরসেটিন (Quercetin) কেম্পফেরল (Kaempferol) ক্লোরোজেনিক এসিড (Chlorogenic acid) এবং ক্যাফিক এসিড (Caffeic acid) নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট; পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ (ফাইবার)। চিয়া সীড এর ভিতর এমন কি আছে যে, এখন সকলে চিয়া সীড খাওয়ার দিকে ঝুকছে জয়েন্টের ব্যাথা, হাড় ক্ষয়রোধ, বার্ধক্য প্রতিরোধ, ওজন কমাতে, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার প্রতিরোধে, চিয়া সীড অনন্য। চিয়া সিড ( chia seed ) আমাদের অনেকের কাছে পরিচিত হলেও চিয়া সিড কি, চিয়া সিড এর উপকারিতা ও চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম অধিকাংশই জানিনা। না জানার কারণে চিয়া সিডের অসাধারণ সব উপকারিতা থেকে প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদেরকে বঞ্চিত করছি।

সাথে ফ্রি সরিষা মধুর উপকারিতা

১.শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। ২.হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী। ৩.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়। ৪.রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। ৫.ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী।

চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

এতে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করে মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে

চিয়া সীডের পুষ্টিগুণ:

ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (United States Department of Agriculture) বা ইউএসডিএ (USDA) এর ন্যাশনাল নিউট্রিয়েন্ট ডাটাবেজ হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ৩.৫ আউন্স (১০০ গ্রাম) চিয়া সিডে রয়েছেঃ ৪৮৬ ক্যালোরি, ৬% পানি, ৪২.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩৪.৪ গ্রাম ফাইবার বা খাদ্যআঁশ,১৬.৫ গ্রাম প্রোটিন,০ গ্রাম চিনি, ০% গ্লুটেন, ৩০.৭ গ্রাম ফ্যাট দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশী আয়রন (লোহা) কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম স্যামন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশী ওমেগা-৩

ওজন কমাতে কার্যকর

চিয়া সিডে উচ্চমাত্রার ফাইবার এবং প্রোটিন থাকায় যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। প্রতি ২৮ গ্রাম চিয়া সিডে ১০ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যচাহিদার প্রায় ৩৫%। চিয়া সিডে বিদ্যমান ফাইবার বা খাদ্যআঁশ মূলত দ্রবণীয়। এটি পানি শোষণ করে জেলির ন্যায় থকথকে আঠালো বর্ণ ধারণ করে এবং আমাদের পাকস্থলীতে যেয়ে বিপাকপ্রক্রিয়ার গতি ধীর করে আনে। ফলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং ক্ষুধা কম লাগে। গবেষণা থেকে প্রমাণিত, দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ আমাদের দেহে মেটাবোলিজম বুস্ট করে ওজন কমাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে যারা ওভারওয়েইট এবং ওবেসিটিতে আক্রান্ত। ২০০৯ সালের একটি গবেষণায় টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৭৭ জন স্থুলকায় ব্যক্তিকে ৬ মাসের জন্য চিয়া সিড সমৃদ্ধ সুষম খাদ্যাভ্যাসের রুটিন ফলো করানো হয়। অপরদিকে, অন্য একটি দলকে শুধুমাত্র প্লেসবো (placebo) গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় পর দেখা যায় যে, চিয়া সিড গ্রহণকারী দলটি প্লেসবো গ্রহণকারী দলের তুলনায় ওজন দ্রুত কমাতে সক্ষম হয়েছেন, এমনকি এই সুষম খাদ্যাভ্যাসটি তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসে কোনরকম প্রভাবও ফেলেনি। এছাড়াও, চিয়া সিডের প্রোটিন আমাদের ক্ষুধা নিবারণ এবং অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে আনে। পাবমেড সেন্ট্রাল (PubMed Central) কর্তৃক প্রকাশিত একটি গবেষণায় দুইটি পৃথক দলকে দুইরকম খাবার প্রাতঃরাশে দেয়া হয়। প্রথম দলকে ৭ গ্রাম চিয়া সিড প্রতিদিন টকদইয়ের সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়, এবং ২য় দলকে চিয়া সিড ছাড়া শুধু টকদই খেতে দেয়া হয়। কয়েকদিন ব্যাপী চলা এই গবেষণা শেষে দেখা যায় যে, যারা প্রাতঃরাশে শুধুমাত্র টকদই খেয়েছেন তাদের তুলনায় যারা টকদই এবং চিয়া সিডের মিশ্রণ খেয়েছেন তারা তুলনামূলকভাবে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে আনতে পেরেছেন এবং অল্পেই পূর্ণতা পেয়েছেন। সুতরাং দেহের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে সুস্থ থাকার জন্য চিয়া সিডের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঠিক নিয়ম মেনেই তা ডায়েট চার্টে যোগ করতে হবে।

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম

এই সিড খাওয়ার নিয়ম বিষয়ে পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি জানান, দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে, যেহেতু চিয়া সিডের নিজস্ব কোনো স্বাদ নেই, তাই এটি যে কোনো শরবত বা স্মুদি, কাস্টার্ড, টকদই বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। ১) স্মুদিতে যোগ করে চিয়া বীজ ব্যবহার করার একটি জনপ্রিয় উপায় হল স্মুদি বানিয়ে খাওয়া। যেকোন ফলের স্মুদিতে খুব সুন্দরভাবে যোগ করা যায় চিয়া সিডস। ২) সালাদ ড্রেসিং হিসেবে যেকোনো সবজি বা ফলের সালাদে চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে আলাদা টেক্সচার যোগ করবে। ৩) ফলের জুস, শরবত,লাচ্ছির সঙ্গে যেকোন ধরনের প্রাকৃতিক ফলের জুস, শরবত বা লাচ্ছির সঙ্গে খেতে পারেন চিয়া সিডস

প্রতিদিন চিয়া সিডস খেলে আপনার শরীরে যে ৫টি পরিবর্তন আসবে

১) রক্তে ওমেগা-৩–এর মাত্রা বেড়ে যাবে ২) উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে ৩)খাবারে আঁশ যোগ হওয়ায় স্বাস্থ্য ভালো থাকবে ৪) ওজন কমাতে সাহায্য করবে ৫) কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করবে

কী থাকে চিয়া সিডসে

১০০ গ্রাম চিয়া বীজের পুষ্টি উপাদানগুলো হলো— ক্যালরি: ৪৮৬ পানি ৬ শতাংশ প্রোটিন ১৬.৫ গ্রাম শর্করা ৪২.১ গ্রাম ফাইবার ৩৪.৪ গ্রাম ফ্যাট ৩০.৭ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৩.৩৩ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ২.৩১ গ্রাম পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ২৩.৬৭ গ্রাম ওমেগা-৩ ১৭.৮৩ গ্রাম ওমেগা-৬ ৫.৮৪ গ্রাম ট্রান্স ফ্যাট ০.১৪ গ্রাম

RECOMMENDED FOR YOU

Sale 20%

খাঁটি খেজুরের গুড়

  • ৳500 ৳ 600

Sale 15%

চিয়াসিড 2KG

  • ৳980 ৳ 1127

সরিষা ফুলের মধু 1 কেজি

  • ৳490

বরই ফুলের মধু 500 gram

  • ৳340

লিচু ফুলের মধু 2 kg

  • ৳950