ভেজাল দেইনা হারাম খাইনা।আমরা মাত্র ২-৩ টি সস্তা উপকরন দিয়ে শরবত মিক্স তৈরি করিনি
সাস্থ্য উপকারিতা মাথায় রেখে খুবই ভেবেচিন্তে প্রায় ৭-৮ টি উপকরণ দিয়ে আমাদের শরবত মিক্স তৈরি করেছি।
আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।
অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন
কি কি আছে সাতক্ষীরার মধু ভান্ডারের শরবত মিক্সে
আমরা অন্যদের মতো দুই তিনটা আইটেম দিয়ে শরবত মিক্স বানিয়ে তারপর আপনাদের কাছে সাপ্লাই দিচ্ছি না। খুবই ভেবেচিন্তে প্রায় ৮-৯ টি উপকরণ বেছে আমাদের শরবত মিক্স তৈরি করেছি। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। বাজারে খুব কম সংখ্যক শরবত মিক্সে ইসুবগুলের ভুষি পাবেন কারণ এটার দাম বেশি। তবে আমরা কিন্তু ইসুবগুলের ভুষি ইউজ করেছি। আমরা কাস্টমারের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বেছে বেছে উপাদানগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। শিওর থাকেন বিন্দু পরিমাণ ঠকবেন না ইনশাআল্লাহ। আমাদের শরবত মিক্সে রয়েছে চিয়াসীড, পাকিস্তানি তোকমা, ইসুবগুল,তুলশি বীজ,হালিম দানা,দেশি তকমা, কাতিলা, ইসুবগুলের ভুষি, এছাড়াও কিছু সিক্রেট আইটেম দিয়ে আমাদের শরবত মিক্স তৈরি।
কি উপকার পাবেন আমাদের শরবত মিক্সে
১/অত্যন্ত গরমে আপনার শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। ২/আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করবে। ৩/ শরবত মিক্স খাওয়ার ১৫ মিনিট পরে আপনি নিজেই ফিল করতে পারবেন যা আপনি আলাদা একটা স্বস্তি পাচ্ছেন। ৪/যাদের অতিরিক্ত কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে প্রচুর উপকার পাবেন। ৫/শরবত মিক্স আপনার গ্যাস্ট্রিক কে কন্ট্রোল করবে। ৬/শরবত মিক্স পেট পিরা থেকে আপনাকে পরিত্রান দেবে। ৭/রাত্রে ঘুম না হলে শরবত মিক্স খেয়ে দেখতে পারেন ইনশাআল্লাহ আশা করি উপকার পাবেন ৮/বদ হজমের ক্ষেত্রে শরবত মিক্স প্রচন্ড কার্যকারী
চিয়াসিড এর উপকারিতা
পুষ্টিগুণে ভরপুর: চিয়া বীজে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। হার্টের স্বাস্থ্য: চিয়া বীজের ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে, রক্তচাপ কমাতে এবং সামগ্রিক হৃদরোগকে সমর্থন করতে পারে।
ইসুবগুল খেলে কি উপকার হয়
১/প্রস্রাবের সমস্যা দূর করে ২/কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ৩/গ্যাস্ট্রিক দূরে রাখে ৪/ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে ৫/হার্ট ভালো রাখে
কাতিলার উপকারিতা কি
এক কথায় বলতে গেলে শারিরীক শক্তি বৃদ্ধি করে, হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ, গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি অক্ষুন্ন রাখতে, হাত ও পায়ে জ্বালাভাব দূর করতে, ওজন কমাতে, চকচকে ত্বক পেতে, ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি করতে ও পুরুষদের মধ্যে লিবিডো উন্নত করতে কাতিলা গামের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার উপকার?
1/কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে রোজায় একটানা দীর্ঘক্ষণ পানি না খাওয়ার ফলে অনেকেরই কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। আর কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পাইলস হতে পারে। সেজন্য ইসবগুল কার্যকর। ফাইবার থাকায় হজমে সহযোগিতা করে ইসবগুল এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। 2/ডায়রিয়া উপশমে ইসবগুল আপনার পেটের ডায়রিয়া উপশমে সাহায্য করে। অনেক সময় ইফতারের পর অনেকেরই পেটে গণ্ডগোল দেখা দেয়। তখন পানিতে কিছুটা ইসবগুল ভিজিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। 3/উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বরাবরই ইসবগুলের পরামর্শ দেয়া হয়। চিকিৎসকরাও চাই রোজায় ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 4/হজমে সাহায্য করে ইসবগুল মূলত ফাইবার জাতীয় খাবার হওয়ায় হজমে সাহায্য করে। রোজায় নানাবিধ খাবার খাওয়া হয়। আর এসব খাবার হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। 5/আমাশয়ের জীবাণু থেকে রক্ষায় ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু দূর করতে পারে। ফলে রোজার মাসে ইসবগুল আপনার পরিপাক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পাকিস্তানি তোকমা এর উপকারিতা
১. পুষ্টির ভালো উৎস তোকমা বীজে ভিটামিন ‘কে’-এর মতো পুষ্টি উপাদানসহ খনিজ (ক্যালসিয়াম) এবং আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। ২. হাইড্রেশন তোকমা বীজের পানি দেহে তরলের ঘাটতি পূরণ করে। শরীরের বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখার জন্য সঠিক মাত্রার হাইড্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. হজম ক্রিয়া তোকমা বীজে রয়েছে মিউসিলেজ। এটি একধরনের জেলজাতীয় পদার্থ, যা পানিতে ভেজালে ফুলে ওঠে। এই জেলজাতীয় পদার্থ অন্ত্রের কার্যক্রম নিয়মিত করে খাবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ তোকমা বীজের ফাইবার পাকস্থলীতে পূর্ণতার অনুভূতি বাড়ায়। এর ফলে অতিরিক্ত খাবারের চাহিদা কমে। এ ছাড়া খাবার হজমে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণে সাহায্য করে, এতে সঠিক ওজন বজায় রাখা সম্ভব হয়। ৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে তোকমা বীজের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তোকমা বীজ রক্তপ্রবাহে শর্করা সরবরাহের গতি কমিয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বাড়া-কমা নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য তোকমা বীজে উপস্থিত পলিফেনলের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃৎপিণ্ডের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৭. উন্নত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তোকমা বীজে উপস্থিত পুষ্টি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। ৮. ত্বকের সুস্বাস্থ্য তোকমা বীজের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এই ফ্রি র্যাডিকেলগুলো ত্বকের ক্ষতি করে এবং অকালে বার্ধক্যের ছাপ ফেলে। নিয়মিত তোকমা বীজের পানি পান স্বাস্থ্যকর। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ৯. চাপমুক্তি তোকমা বীজের পানি শরীরে শীতল প্রভাব আনে। ফলে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ প্রশমন করতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে শিথিল করে এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতার উন্নতি সাধন করে। তবে, মনে রাখা জরুরি, তোকমা বীজের পানির নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সুফলের ওপর গবেষণা সীমিত। অন্য যেকোনো খাবারের মতোই এই পানীয় পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। স্বাস্থ্যগত কোনো জটিলতা থাকলে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
দেশি তোকমা এর উপকারিতা
১. পুষ্টির ভালো উৎস তোকমা বীজে ভিটামিন ‘কে’-এর মতো পুষ্টি উপাদানসহ খনিজ (ক্যালসিয়াম) এবং আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। ২. হাইড্রেশন তোকমা বীজের পানি দেহে তরলের ঘাটতি পূরণ করে। শরীরের বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখার জন্য সঠিক মাত্রার হাইড্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. হজম ক্রিয়া তোকমা বীজে রয়েছে মিউসিলেজ। এটি একধরনের জেলজাতীয় পদার্থ, যা পানিতে ভেজালে ফুলে ওঠে। এই জেলজাতীয় পদার্থ অন্ত্রের কার্যক্রম নিয়মিত করে খাবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ তোকমা বীজের ফাইবার পাকস্থলীতে পূর্ণতার অনুভূতি বাড়ায়। এর ফলে অতিরিক্ত খাবারের চাহিদা কমে। এ ছাড়া খাবার হজমে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণে সাহায্য করে, এতে সঠিক ওজন বজায় রাখা সম্ভব হয়। ৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে তোকমা বীজের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তোকমা বীজ রক্তপ্রবাহে শর্করা সরবরাহের গতি কমিয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বাড়া-কমা নিয়ন্ত্রণ করে। ৬. হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য তোকমা বীজে উপস্থিত পলিফেনলের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃৎপিণ্ডের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৭. উন্নত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তোকমা বীজে উপস্থিত পুষ্টি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। ৮. ত্বকের সুস্বাস্থ্য তোকমা বীজের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এই ফ্রি র্যাডিকেলগুলো ত্বকের ক্ষতি করে এবং অকালে বার্ধক্যের ছাপ ফেলে। নিয়মিত তোকমা বীজের পানি পান স্বাস্থ্যকর। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ৯. চাপমুক্তি তোকমা বীজের পানি শরীরে শীতল প্রভাব আনে। ফলে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ প্রশমন করতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে শিথিল করে এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতার উন্নতি সাধন করে। তবে, মনে রাখা জরুরি, তোকমা বীজের পানির নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সুফলের ওপর গবেষণা সীমিত। অন্য যেকোনো খাবারের মতোই এই পানীয় পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। স্বাস্থ্যগত কোনো জটিলতা থাকলে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শাহি হালিম দানা
এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের পেট ব্যাথা দূর করতে খুবই উপকারী। হালিম বীজ ফাইবার ও প্রোটিনের ভালো উৎস। ফলে খাবার তৃপ্তিদায়ক হয়ে ওঠে। হালিম বীজ অ্যানিমিয়া দূর করতে খুবই কার্যকরী। এটি লোহার উচ্চ মাত্রা লাল রক্ত কোষের উৎপাদনকে উৎসাহ দেয় এবং শরীরে হিমোগ্লোবিন এর স্তর বৃদ্ধি করে। ফলে অ্যানিমিয়া প্রকোপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হালিম বীজ আ্যন্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তাই এটি শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। জ্বর, সর্দি, গলা ব্যাথা দূর করে- হালিম বীজ আন্টি মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য যুক্ত হওয়ার জন্য এটি জ্বর সর্দি সহ শ্বাস প্রশ্বাস এর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।
তুলসী বীজ এর উপকারিতা
তুলসীর পাতাই নয়, তুলসীর বীজও দারুণ উপকারী। তুলসী পাতার মতোই তুলসী বীজও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন- সাধারণ সর্দি এবং ফ্লু জাতীয় সমস্যা থেকেও মুক্তি পেতে এই বীজের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তা-ই নয়, পেশীতে টান পড়লেও এই বীজ খেলে আরাম পাওয়া যাবে। তুলসীর বীজে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তুলসী বীজে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি র্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করে। তুলসীর বীজ ব্যবহার করলে অনেক দিন তরুণ থাকতে পারবেন। তুলসী বীজ মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এগুলো সেবন করলে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তুলসীর বীজ মানসিক রোগের ঝুঁকি কমায়। তুলসী বীজে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন ইত্যাদির মতো পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, তুলসীর বীজ খেলে কো-ষ্ঠ-কাঠিন্য, অ্যাসিডিটি এবং পেটে গ্যাসের মতো সমস্যা কমে। তুলসীর বীজে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যা শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
শরবত মিক্সে আসলে কি উপকার হয়?
গ্যাস্ট্রিক, পেপটিক আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তশুন্যতা ও পেটের বিভিন্ন সমস্যায় “সিড মিক্স” শরবত খুবই উপকারী অনেকেই দীর্ঘদিন যাবৎ পেটের নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছেন? বিশেষ করে, যারা কো-ষ্ঠ-কাঠিন্যে; তারা বেশিরভাগ সময়ই লজ্জায় এ মারাত্মক সমস্যার কথা শেয়ার করতে চান না। কিন্তু তিনি নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন। সিড মিক্স কম্বো শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মধু সহ সিড মিক্স কম্বো বিশেষ কার্যকর। কারন এখানে যে উপাদান গুলো ব্যবহার করা হয়েছে তার সবগুলো উপাদানের মধ্যে প্রচুর ফাইবার ও ভিটামিন সমৃদ্ধ
